লকডাউন এর পরে যে পাঁচটি কাজের চাহিদা প্রচুর বেড়ে যাবে।

2020 সাল আমাদের সকলের লাইফস্টাইলকে অনেক বদলে দিয়েছে। আর এই লকডাউন  এর মধ্যে এবং লকডাউন এর পরে পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষ বেকার হয়ে যাবে।

আমরা এমন একটা সময়ের মুখোমুখি হয়েছি যেখানে ভবিষ্যতে শিক্ষা থেকে  চাকরি এবং ব্যবসা থেকে লাইফ স্টাইল সবকিছু বদলাতে চলেছে।


তাই আজকে আমি আপনাদের সামনে এমন পাঁচটি কাজের কথা বলব যেগুলোর চাহিদা লকডাউন এর  পর অনেকাংশে বেড়ে যাবে। আর এই পাঁচটি কাজের যেকোনো একটি ক্যারিয়ার হিসেবে নিলে আপনার জীবন বদলে যেতে পারে।



অবশ্যই পড়ুন:


আমাদের মধ্যে যারা স্টুডেন্ট অথবা সবে মাত্র পড়াশোনা শেষ করেছেন তাদের জন্য এই সময়টুকুতে সবচেয়ে ভালো সুবিধা আসতে চলেছে। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেয়া যাক লকডাউন এর পরে যে পাঁচটি কাজের চাহিদা প্রচুর বেড়ে যাবে সে কাজগুলো সম্পর্কে।


লকডাউন এর পরে যে পাঁচটি কাজের চাহিদা প্রচুর বেড়ে যাবে।

1. ডিজিটাল মার্কেটিংঃ মানুষ লকডাউনএ থেকে এটি বুঝতে পেরেছে যে অফলাইনে সব সময় ব্যবসা করা যায় না। তাই বেশিরভাগ মানুষ তাদের অফলাইন ব্যবসাকে অনলাইনে কনভার্ট করতে চাইবে।  অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনলাইন ব্যবসার অনেক ডিমান্ড আসতে চলেছে।


মানুষ যত ব্যবসা অনলাইনে করতে চাইবে অথবা তাদের প্রোডাক্ট প্রমোট করতে চাইবে সেই প্রমোট করার জন্য দরকার পড়বে ডিজিটাল মার্কেটারের। তাই এ থেকে বলা যায় ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ডিমান্ড অনেক বাড়তে চলেছে।


2. কনটেন্ট রাইটিংঃ যেহেতু বেশিরভাগ মানুষ তাদের অনলাইন ব্যবসাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে আনার চেষ্টা করবে, সেহেতু তাদের দরকার পড়বে কনটেন্ট রাইটারের। তাই যারা ভালো লিখতে পারেন তাদের ডিমান্ড অনেকাংশে বেড়ে যাবে।


এখানে গল্প বা কবিতা লেখার কথা নয় যারা ব্লগ লিখতে পারেন, আর্টিকেল লিখতে পারেন, ই-বুক,  প্রডাক্ট রিভিউ ইত্যাদির ডিমান্ড অনেক বেশি বেড়ে যাবে।


3. এপ্লিকেশন এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টঃ যেহেতু সবকিছু প্রায় অনলাইনে সম্পাদিত হবে , সেহেতু ছোট থেকে বড় সকল ব্যবসায়ীদের একটি ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজন পড়বে।


তাই যারা বর্তমানে স্টুডেন্ট অথবা পড়াশোনা শেষ করেছেন তাদের জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্ট অথবা অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর কাজটি শিখে রাখলে ভবিষ্যতে অনেক  অপরচুনিটি পেতে পারেন।


তাছাড়া অ্যাপ্লিকেশন অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের ক্যারিয়ারও করে তুলতে পারেন ।


4. ভিডিও এডিটিংঃ আমরা সবাই দেখতে পারছি যে যত দিন যাচ্ছে আমরা সকল কনটেন্টকে ভিডিও আকারে দেখতে পছন্দ করছি। আগে শুধু ইউটিউব ছিল একমাত্র ভিডিও মাধ্যম। কিন্তু বর্তমানে বহু কোম্পানি নিজেদের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম আনতে চেষ্টা করছে।


যত বেশি ভিডিও তৈরি হবে ততবেশি ভিডিও এডিটর এর দরকার পড়বে। তাই ভিডিও এডিটিংকে পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া যেতে পারে।



এতক্ষন যা পড়লেন সবই হল অনলাইন ভিত্তিক কিন্তু 5 নম্বর পয়েন্ট হল অফলাইন ভিত্তিক- তাহলে চলুন 5 নম্বর অপশনটি জেনে নেই।   

5. হেলথকেয়ারঃ এই মুহূর্তে পৃথিবীর প্রায় সকল মানুষই বুঝে গেছে যে স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। এবং ভবিষ্যতে হেলথকেয়ার পদ্ধতিকে আরও উন্নত থেকে উন্নত করার জন্য চেষ্টাা করবে। আর এর সাথে সাথে আমরাও নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠব। 


এর ফলে হেলথকেয়ার এর সাথে জড়িত সকল ফিল্ডের ডিমান্ড অনেক গুণে বাড়তে চলেছে। এখানে হেলথকেয়ার বলতে শুধুুুু ডক্টর অথবা নার্সকে বোঝানো হচ্ছে না। নিউট্রিশনিস্ট, মেডিকেল রিপ্রেসেনটেটিভ ,

ফিজিও থেরাপিস্ট, সেলস ,হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদিি সেক্টরকেও বুঝানো হয়েছে।

লকডাউন এর পরে যে পাঁচটি কাজের চাহিদা প্রচুর বেড়ে যাবে তা হলো উপরের এই পাঁচটি কাজ। এই পাঁচটিি কাজ হলো খুবই ডিমান্ডেবল কাজ।

উপরের পাঁচটি সেক্টর থেকে আপনার যদি কোন একটি বিষয়ে ইন্টারেস্ট থাকে তাহলে পড়াশোনার পাশাপাশি আপনি সেই বিষয়ের উপর জ্ঞান অর্জন করা শুরু করে দিন। 

Written  By: MD Riazul Islam 

Post a Comment

0 Comments